সুপার ফাষ্ট কম্পিউটার বানান ১১ উপায়ে

নিজের স্বাধের পিসিটিতে অনেক সময়ই উচ্চ কনফিগারেশান থাকা স্বত্তেও(সুপার ফাষ্ট কম্পিউটার না হয়ে) অনেক ধীরগতির পারফরমেন্স দিতে দেখলে কেমন লাগবে আপনার কাছে?? উত্তরটি অবশ্যি শুখকর হবার কথা নয়। এত গেল উচ্চ কনফিগারেশান বিশিষ্ট পিসির কথা অনেক সময় নিম্ন কনফিগারেশের ও এই সমস্যায় ভূগতে হয়। তবে উভ্য় ক্ষেত্রেই একটি সহজ সমধান আছে। তাহল কিছু বেসিক তরিকা যা পিসিকে তার কনফিগারেশানে সর্বোচ্চ পারফরমেন্স দিবে। আজ বেছে কয়েকটি তরিকা বাতলে দেওয়া হল আশা করি কাজে দিবে।

১. যেকোন এপ্লিকেশান চালু করার আগে পিসিটিকে সঠিকভাবে বুট-আপ হতে সময় দিন।

 

[sociallocker]

২. যেকোন প্রোগ্রাম বন্ধ করার পর উইন্ডোজ প্লাটফরমের ইউজাররা রিফ্রেশ করুন, তাতে অব্যবহৃত ফাইল র‍্যাম থেকে মুছে যাবে।

৩. ডেস্কটপের ওয়ালপেপার ছোট সাইজের বা লো রেজুলেশানের হলেই তা সুখকর। আর যদি র‍্যাম ৬৪ মেগার নিচে হয় তাহলে তো ওয়ালপেপারহীন রাখাই ভাল।

৪. ডেস্কটপের আইকনের বাহার সাজানোর কোন প্রয়োজন নেই। এর কারন প্রত্যেকটা আইকনের জন্য র‍্যামে ৫০০ বাইটের জায়গা দখল হয়ে থাকে। তাই নীট এন্ড ক্লিন থাকাই ভাল।

[/sociallocker]

 

৫. সময়ে সময়ে রি-সাইকেল বিন থেকে ফাইল পরিপূর্ণ ভাবে মুছে দিন, কারন এটা রিসাইকেল বিনে থাকলে হার্ড-ডিস্ক ড্রাইভে জায়গা দখন করে থাকে না মুছা পর্যন্ত।

৬. ইন্টারনেট টেম্পরারি ফাইল যেমন কুকিস, ক্যাশ ইত্যাদি নিয়মিত মুছুন।

 

[sociallocker]

৭. প্রতি ১৫ দিনে সম্ভব না হলে প্রতি মাসে অন্তত একবার করে হার্ড-ডিস্ক ড্রাইভ ডিফ্রেগ করুন, এটা যেমন হার্ড ডিস্কে জায়গা বাড়াতে সাহায্য করবে তেমন পিসির গতি ও করবে দ্রুততর।

৮. সর্বদা দুটা ড্রাইভে সফটওয়ার ইনষ্টল করবেন। ছোট গুলো সি ড্রাইভে বা মেইন ড্রাইভে আর বড়ো বড় সফট যেমন PSP, Photoshop, 3DS Max ইত্যাদি। কারন সি ড্রাইভের ফ্রি স্পেস ভার্চুয়াল মেমরি হিসেবে কাজ করে, যখন র‍্যাম ফুল ইউজ লিমিট হয়ে যায়। তাই উচিত সি ড্রাইভ যতখুশি খালি রাখা।

[/sociallocker]

 

৯. সফটওয়ার সেটাপের সময় ট্রে আইকন এবং অটো লোড এই দুইটা অপশন ডিজেবল করে দিতে হবে, কারন এটা র‍্যামের যেমন লোডবাড়ায়, আবার বুট আপের সময় ও বাড়িয়ে দেয়। অবশ্য সেটাপ কৃত সফট ও অটো লোড বন্ধ করা যায়, সফটির টুলস বা প্রিপফারেন্স থেকে।

[sociallocker]১০. পিসিটিকে ময়লা ও ধুলা বালু থকে দূরে রাখুন, নাহলে হার্ডওয়ারের মধ্যে ময়লা জমে কার্যক্ষমতা কমে যায়, আর কুলিং ফ্যানের কার্যক্ষমতা হ্রাস পেলে পিসি অনেক উত্তপ্ত হয়ে যাবে, আর তা পুরো সিষ্টেম পারফরমেন্সকে প্রভাব ফেলবে। তাই পরিষ্কার পরিচ্ছন রাখতে হবে পিসিটিকে।[/sociallocker]

১১. সিষ্টেমকে স্লো মনে হলে রান এ গিয়ে TREE লিখে এন্টার করুন।

পোষ্টটি কাজে দিলে ফেসবুকে  করতে ভূলবেন না যেন :)

10 thoughts on “সুপার ফাষ্ট কম্পিউটার বানান ১১ উপায়ে

  • জুলাই 22, 2015 at 11:28 পূর্বাহ্ন
    Permalink

    হার্ড-ডিস্ক ড্রাইভ ডিফ্রেগ করব কিভাবে?

    Reply
  • মার্চ 30, 2012 at 7:49 অপরাহ্ন
    Permalink

    tree ‘র ব্যাপারটা বুঝলাম না।এটা শুধু ডেস্কটপের জন্য?লেপটপের জন্য নয়?লেপটপে রান এ গিয়ে স্মল এবং কেপিটাল লেটারে tree লিখেছি,কোন কাজ হয় নাই,একটা পেইজ ওপেন হয়েছে নাথিং ফাউন্ড বলে।

    Reply
    • মার্চ 31, 2012 at 4:12 অপরাহ্ন
      Permalink

      ট্রি যেকোন উইন্ডোজ পিসির জন্য
      যেভাবেই দেননা কেন এটা গুছিয়ে নিবে মেইন ড্রাইভের ফাইলগুলো

      Reply
  • জানুয়ারী 14, 2012 at 1:30 অপরাহ্ন
    Permalink

    Some best softwares for speed up pc:
    -Tuneup utilities
    -win tools
    -System mechanic

    Reply
  • জানুয়ারী 14, 2012 at 1:27 অপরাহ্ন
    Permalink

    -press ctrl+r
    -A dialouge box will appear
    -write down “tree”
    -Click search

    Reply
    • জানুয়ারী 18, 2012 at 1:59 পূর্বাহ্ন
      Permalink

      there is no shortcut in CTRL+R
      it’ll be Windows button + R for tree ocmmand

      Reply
  • নভেম্বর 1, 2011 at 12:30 পূর্বাহ্ন
    Permalink

    হাই, চমতকার লেখা। থেংকস। তবে Tree -এর বেপারটা আরও ক্লিয়ার করে লেখা যেতো বলে আমি মনে করি। যাই হোক, ভালো লাগলো… 🙂 ।

    Reply
  • সেপ্টেম্বর 7, 2011 at 2:07 অপরাহ্ন
    Permalink

    জটিল লিখছেন FM ভাই ..

    Reply
  • আগস্ট 29, 2011 at 5:35 পূর্বাহ্ন
    Permalink

    বেশ ভালো পোস্ট… মজাই লাগলো জানাশোনা সব টিপস মেলা দিন পর আবার পড়ে…

    Reply
  • আগস্ট 28, 2011 at 11:04 অপরাহ্ন
    Permalink

    vhaloi liksen dada vhai

    Reply

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.